টাঙ্গুয়ার হাওর, সুনামগঞ্জ ভ্রমণ | Tanguar Haor Tour (A-Z)

  • 🎬 Video
  • ℹ️ Description
Invalid campaign token
টাঙ্গুয়ার হাওর, সুনামগঞ্জ ভ্রমণ | Tanguar Haor Tour (A-Z) 5
টাঙ্গুয়ার হাওর | টেকের ঘাট | শিমুল বাগান | জাদুকাটা নদী | বারিক্কা টিলা | নিলাদ্রি লেক | সুনামগঞ্জ

টাঙ্গুয়ার হাওর বা টাঙ্গুয়া হাওর, বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হাওর বাংলাদেশর দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি ।
স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান, প্রথমটি সুন্দরবন।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরণা) এসে মিশেছে এই হাওরে।
দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ গ্রামগঞ্জ ও কৃষিজমি। একসময় গাছ-মাছ-পাখি আর প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের আধার ছিল এই হাওর।
১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গুয়ার হাওরকে 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখনই অবসান হয় দীর্ঘ ৬০ বছরের ইজারাদারির। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে ২০ জানুয়ারি এই হাওরকে 'রামসার স্থান' (Ramsar site) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম হলো বিভিন্ন জাতের পাখি। এ হাওরে প্রায় ৫১ প্রজাতির পাখি বিচরণ করে। পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে বিরল প্রজাতির প্যালাসেস ঈগল, বড় আকারের গ্রে কিংস্টর্ক রয়েছে এই হাওড়ে।
স্থানীয় জাতের মধ্যে শকুন, পানকৌড়ি, বেগুনি কালেম, ডাহুক, বালিহাঁস, গাঙচিল, বক, সারস, কাক, শঙ্খ চিল, পাতি কুট (এই হাওরের ২৮-২৯%) ইত্যাদি পাখির নিয়মিত বিচরণ এই হাওরে। এছাড়া আছে বিপন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি কুড়ুল (বাংলাদেশে এর নমুনাসংখ্যা ১০০টির মতো)।
এছাড়াও ৬ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৪ প্রজাতির সাপ, বিরল প্রজাতির উভচর, ৬ প্রজাতির কচ্ছপ, ৭ প্রজাতির গিরগিটিসহ নানাবিধ প্রাণীর বাস, এই হাওরের জীববৈচিত্র্যকে করেছে ভরপুর।

টেকেরঘাট: টেকেরঘাট চুনাপাথরের খনি ছিল এক সময়। এখন এটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন লেকে পরিণত হয়েছে।

শিমুল বাগান: সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়বদল ইউনিয়ন। গ্রামের নাম মানিগাঁও। পাহাড়ি স্নিগ্ধ জলের শান্ত নদী ‘জাদুকাটা’, এই গ্রামের পাশ দিয়েই বহমান
প্রায় একশ বিঘারও বেশি জায়গাজুড়ে মানিগাঁও গ্রামের এই শিমুল বাগানে প্রায় ১৪ বছর আগে তিন হাজার শিমুলের চারা রোপণ করেছিলেন স্থানীয় চেয়ারম্যান বৃক্ষপ্রেমী জয়নাল আবেদীন।
বারিক টিলা এবং জাদুকাটা নদী: ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে উৎপত্তি হওয়া জাদুকাটা নদীটি সুনামগঞ্জের একটি অপরূপ নদী। জাদুকাটা নদীর স্বচ্ছ নীল জল এতটাই স্বচ্ছ যে নদীর তীর থেকেই আপনি নদীর তলদেশ দেখতে পাবেন। জাদুকাটা নদী থেকে বেশকিছু খালের সৃষ্টি হয়েছে যেগুলো সুরমা নদীতে মিলিত হয়েছে।
নদীটির পাশেই প্রায় ১৫০ ফুট উচ্চতার একটি টিলা রয়েছে। স্থানীয়রা এই টিলাটিকে বারিক টিলা বলে থাকে। এই টিলায় অবস্থিত পিলারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিলাদ্রি লেক: টেকেরঘাট চুনাপাথরের পরিত্যাক্ত খনির নীল পানির লাইমস্টোন হ্রদটা দেখে আইসেন। লাইমস্টোন হ্রদটাকে স্থানীয়রা বিভিন্ন নামে ডাকে। কেউ কেউ এটাকে কোয়ারী বলে, কেউ চুনা পাথর ক্ষনির লেক বলে, কেউ বলে লাইমস্টোন (কোয়ারী মানে হচ্ছে পাথরের গর্ত। যে কোন গাছকে যেমন গাছ ডাকা হয় তেমনি যে কোন পাথরের বা ক্ষনির গর্তকেই কোয়ারী বলে।

Download — টাঙ্গুয়ার হাওর, সুনামগঞ্জ ভ্রমণ | Tanguar Haor Tour (A-Z)

Download video
💬 Comments on the video
Author

ধন্যবাদ, ভাই । সুন্দর ভিডিওটি সবার সাথে শেয়ার করার জন্য।

Author — Kaisar Imam Mehedi

Author

অসাধারন, মনোমুগ্ধকর পরিবেশ, ধন্যবাদ ভাইকে।

Author — SAYED Rural's vines

Author

আমিও একজন ভ্রমণ বিলাসি মানুষ।
আমার চ্যানেলে অনেক ঘুরার স্পট আছে কিন্তু এখনও টান্গুয়ার হাওর যাওয়া হয় নি। আশা করি এই মাসেই যাব। ধন্যবাদ।

Author — Anik's Travel & Fun

Author

টাঙ্গুয়ার হাওর সহ আসপাসে একদিনে ট্যুরে কো কোন স্পট দেখা সম্ভব। জানালে উপকৃত হবো। প্রাইভেকার নিয়ে গেলে কতুটুকু যেতে পারবো জানাবেন।

Author — Ayesha Sadika

Author

ভাইয়া, মোহনগঞ্জ থেকে কি সব সময় ট্রলার পাওয়া যায়?
আর ভাড়া কত পরবে একটু জানাবেন প্লিজ

Author — hafez oli